Published : 24 Aug 2026, 03:16 AM
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার উপজেলা পরিষদ চত্বরে অবস্থিত মসজিদের সংলগ্ন স্থানে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ৫৪ বস্তা নন ইউরিয়া সার গায়েব হয়ে যাওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে। এই চুরির বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে যখন কৃষকদের জন্য প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় সার বিতরণের সময় এই অপহৃত বস্তাগুলো ধরা পড়ে। কৃষকদের দাবি মেটাতে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে দ্রুত সার কিনে বিকেলে তা তাদের মাঝে বিতরণ করা হয়। এই অনধিকার প্রবেশ ও চুরির ঘটনায় সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান গত রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করেছেন। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা শাহিনুজ্জামানকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন আরও একটি তদন্ত কমিটি গঠনের পরিকল্পনা করছে।
জানা গেছে, তালিকাভুক্ত কৃষকদের বিনা মূল্যে সারের সুবিধার জন্য বিএডিসির কাছ থেকে জুন মাসে ১ হাজার ৩৫০ বস্তা ডিএপি এবং আরও ১ হাজার ৩৫০ বস্তা এমওপি সার সংগ্রহ করা হয়। যেহেতু নিজেদের গুদাম ছিল না, তাই এই সারগুলো মসজিদের পাশে পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হতো এবং সেখান থেকেই কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হতো। আজ সকালে যখন বিতরণ শুরু হয়, তখন দেখা যায় ৫৪ বস্তা সার নিখোঁজ। কৃষকরা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠলে উপজেলা কৃষি অফিস ডিলারদের কাছ থেকে সার কিনে বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তা সরবরাহ করে। সংরক্ষিত এলাকা থেকে সারের এই গায়েব হওয়া নিয়ে অনেকের মধ্যে বিস্ময় সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে কর্মরত নৈশ প্রহরীরা বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেননি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান জানান, বিভিন্ন প্রণোদনা কর্মসূচির অধীনে বিএডিসি থেকে ২ হাজার ৭০০ বস্তা নন ইউরিয়া সার সংগ্রহ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে রাখা হয়েছিল। এই শেষ দিনে চুরির বিষয়টি ধরা পড়ে এবং পরবর্তীতে কৃষকদের মাঝে তা বিতরণ করা হয়। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তিথি মিত্র প্রথম আলোকে বলেন, সারের সঠিক সংরক্ষণের জন্য কৃষি বিভাগের নিজস্ব গুদাম না থাকায় এই স্থানে সার রাখা হয়েছিল। ৫৪ বস্তা সার কম পাওয়ার ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে অধ্যাপকের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রিদওয়ানুল হক